বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয় বাংলা কত সালে?

Updated: 1 year ago
  • ১৩১৫

  • ১৩১১

  • ১৩১২

  • ১৩২৫

23.1k

বাংলা ১৩১২ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত রচিত হয়।

ব্যাখ্যাঃ

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি ১৯০৫ সালের ৭ই আগস্ট কোলকাতা টাউন হলে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা উপলক্ষে রচিত।

এটি সঞ্জীবনী পত্রিকায় (২২ ভাদ্র, ১৩১২ সংখ্যা) কবির স্বাক্ষরসহ প্রকাশিত হয়েছিল। কবির বয়স তখন ৪৪ বছর।

১৩৩৮ সনে প্রকাশিত গীতবিতানের প্রথম সংস্করণের প্রথম খণ্ডে এবং ১৩৪৫ সনে প্রকাশিত দ্বিতীয় সংস্করণের প্রথম খণ্ডে গানটি সন্নিবেশিত হয়। এর স্বরলিপি স্বরবিতান - ৪৬ - এর অন্তর্ভুক্ত যার স্বরলিপিকার কবির ভ্রাতুষ্পুত্রী ইন্দিরা দেবী। দাদরা তালাশ্রিত এই গানটি বাউল সুরে সুরারোপিত; বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহের গগন হরকরার ‘আমি কোথায় পাব তারে’ গানটির সুরের সঙ্গে মিল রেখে রবীন্দ্রনাথ এই গানের সুর করেছিলেন।

আমার সোনার বাংলা হলো বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। বঙ্গমাতা সম্পর্কে এই গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৯০৫ সালে রচিত হয়। বাউল গায়ক গগন হরকরার গান "আমি কোথায় পাব তারে" থেকে এই গানের সুর ও সঙ্গীত উদ্ভূত।

১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিলো। ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ চরণ সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। ১৯০৫ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ”বাউল” নামক গ্রন্থে গানটি অন্তর্ভুক্ত আছে।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন। এটি ১৩১১ বঙ্গাব্দে (১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে) লেখা হয়েছিল।

রচনা ও সুরারোপ

আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিলো ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না।সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিলো। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে  গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিলো। তবে ৭ আগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিলো।

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" একটি গভীর দেশপ্রেমমূলক গান, যা বাংলা ভাষায় রচিত এবং সংগীতায়িত। এটি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা, যিনি ১৯০৫ সালে বাংলাকে ভেঙে দেওয়ার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় এটি লিখেছিলেন। গানটির প্রথম দশটি লাইন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়।

রচনা ও পটভূমি:

"আমার সোনার বাংলা" গানটি ১৩১১ বঙ্গাব্দে (১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে) রচিত হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি রচনা করেন বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে। বঙ্গভঙ্গ ছিল বাংলার ঐক্য ভেঙে দেওয়ার একটি ব্রিটিশ সিদ্ধান্ত, যা অনেকের কাছে গভীরভাবে আঘাত করেছিল। এই গানে বাংলাদেশের প্রকৃতি, সৌন্দর্য এবং জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে।

মূল কবিতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সম্পূর্ণ আমার সোনার বাংলা গানটি এখানে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এই গানের প্রথম দশ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত।

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥

কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥

তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,
তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
মরি হায়, হায় রে—
তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥

ধেনু-চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,
সারা দিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥

ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—
দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
মরি হায়, হায় রে—
আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি

গানের প্রথম অংশ:

গানটির প্রথম অংশ হলো—

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি। চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।

জাতীয় সংগীত এর সুর

 

জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ:

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর, স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হলে "আমার সোনার বাংলা" গানটির প্রথম দশটি লাইন জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে গণ্য হয়।

অর্থ ও প্রভাব:

"আমার সোনার বাংলা" শুধুমাত্র একটি গান নয়, এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, এবং স্বাধীনতার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক। গানটি দেশের জনগণকে একত্রিত করে এবং জাতীয় গর্ব ও দেশপ্রেমকে উদ্দীপ্ত করে।

সুর ও প্রভাব:

গানটির সুরও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত। এর সুর অত্যন্ত মৃদু ও মনোরম, যা বাংলাদেশের প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

"আমার সোনার বাংলা" বাংলাদেশের জনগণের জন্য শুধুমাত্র একটি সংগীত নয়, এটি তাদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক।

এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত করা নিয়ে বিরোধ ও সমালোচনা

"আমার সোনার বাংলা" বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর কিছু বিরোধ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছিল। যদিও এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় থেকেই জনপ্রিয় ছিল, তবু কিছু বিতর্ক ও সমালোচনা উত্থাপিত হয়েছে, যা মূলত বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এসেছে।

১. ভাষা ও আঞ্চলিকতা:

  • ভারতীয় পটভূমি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ভারতীয় এবং তাঁর রচিত গান ভারতের জাতীয় সংগীত 'জন গণ মন'-ও। এ কারণে কিছু লোক মনে করেন যে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত অন্য কোনো স্থানীয় কবির লেখা হওয়া উচিত ছিল।
  • আঞ্চলিকতা ও বিকল্প প্রস্তাব: কিছু মানুষ মনে করেন যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানটির বদলে অন্য কোনো কবি বা সাহিত্যিকের গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হওয়া উচিত ছিল, যা শুধুমাত্র পূর্ববঙ্গ বা বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্ব করে।

২. ধর্মীয় মতভেদ:

  • ধর্মীয় রীতি: কিছু ইসলামপন্থী গোষ্ঠী দাবি করেছেন যে গানটি ইসলামি চেতনার সাথে পুরোপুরি সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তারা মনে করেন, এটি একটি ধর্মনিরপেক্ষ গান যা ইসলামের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

৩. ভিন্নমত ও বিকল্প প্রস্তাব:

  • বিকল্প প্রস্তাব: কিছু লোক জাতীয় সংগীত হিসেবে "আমার সোনার বাংলা"-র পরিবর্তে কাজী নজরুল ইসলামের কোনো গান বেছে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, কারণ নজরুল ইসলামের গানগুলো বাংলাদেশি চেতনার সাথে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত বলে মনে করা হয়।

৪. রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট:

  • রাজনৈতিক বিরোধ: রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিত্বের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বিরোধ দেখা গিয়েছে, যারা রবীন্দ্রনাথের রচিত গানকে নয়, বরং অন্য কোনো গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে বেছে নেওয়ার কথা বলেছেন। এটি বিশেষ করে তখন দেখা দেয়, যখন একটি দল মনে করে যে তাদের আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পূর্ণরূপে গানটির মধ্যে প্রতিফলিত হয়নি।

৫. বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব:

  • বঙ্গভঙ্গ ও জাতীয়তাবাদ: "আমার সোনার বাংলা" গানটি বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত হওয়ায় এটি তখনকার পূর্ববাংলা এবং পশ্চিমবাংলার উভয়কেই সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, কিছু লোক মনে করেন যে গানটি শুধুমাত্র পূর্ববাংলার বা বর্তমান বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে প্রতিফলিত করে না।

সমাধান ও প্রভাব:

এই বিরোধ ও সমালোচনা সত্ত্বেও, "আমার সোনার বাংলা" গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে বহাল থাকে এবং এটি দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত। অধিকাংশ মানুষ এই গানকে সম্মানের সাথে গ্রহণ করেছেন এবং এটি বাংলাদেশি পরিচয়ের অন্যতম প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে।

  • বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
  • ১৩১২ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
  • বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল।
  • গানটিতে প্রধানত স্থান পেয়েছে বাংলার মনোরম প্রকৃতির কথা।
  • গগণ হরকরার 'আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে” বাউল গানটির সুরের অনুষঙ্গে গানটি রচিত।
  • চলচিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে তার বিখ্যাত "জীবন থেকে নেওয়া” সিনামাতে গানটির চিত্রায়ন করেন।
  • পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইসতেহারে (১৯৭১ সালের ৩ মার্চ) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
  • ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
  • সংবিধানের ৪ (১) অনুচ্ছেদে 'আমার সোনার বাংলা' গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়েছে।
  • এটি মূলত ২৫ চরণ বিশিষ্ট একটি কবিতা। এ কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।
  • তবে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।

Related Question

View All
  • কাজী নজরুল ইসলাম
  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  • দ্বিজেন্দ্র লাল সেন
  • সুকান্ত ভট্টাচার্য
56
  • ইত্তেহাদ
  • সমাচার দর্পন
  • বঙ্গদর্শন
  • সমাচার
78
  • মাতৃপ্রেম
  • দেশপ্রেম
  • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  • প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
108
Updated: 7 months ago
  • The first 4 lines
  • The first 12 lines
  • The first 10 lines
  • The first 16 lines
119
  • সোনার বাংলার
  • পূর্ব বাংলার
  • পশ্চিম বাংলার
  • স্বাধীন বাংলার
148
  • বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ
  • ট্রেনিং প্রতিষ্ঠান বলে করতেই পারে
  • অন্যায় করছে না
  • বিধির সঙ্গে যায় না
212
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই